Simple Man With Big Dream
  • Ultimate Member
  • Lives in Dhaka
  • From Dhaka, Bangladesh
  • Male
  • Single
  • 16/01/1971
  • Followed by 20 people
Recent Updates
  • 4
    0 Comments 0 Shares
  • আসসালামু আলাইকুম। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, উস্তাদ আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান গতকাল(বৃহস্পতিবার) রংপুর থেকে ঢাকা আসার পথে ড্রাইভার সহ ৩ জন মিসিং। সর্বশেষ যোগাযোগ হয় রাত ২:৩৬ মিনিটে‌, গাবতলী থেকে।
    উস্তাদের সফরসঙ্গী হিসাবে দু'জন এবং ড্রাইভার সহ মোট চারজন ছিল। তাদের সবার ফোন রাত দুইটা ছত্রিশ মিনিটের পর থেকে বন্ধ। এরপর উস্তাদের সাথে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি!
    আর কত জন???
    আসসালামু আলাইকুম। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, উস্তাদ আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান গতকাল(বৃহস্পতিবার) রংপুর থেকে ঢাকা আসার পথে ড্রাইভার সহ ৩ জন মিসিং। সর্বশেষ যোগাযোগ হয় রাত ২:৩৬ মিনিটে‌, গাবতলী থেকে। উস্তাদের সফরসঙ্গী হিসাবে দু'জন এবং ড্রাইভার সহ মোট চারজন ছিল। তাদের সবার ফোন রাত দুইটা ছত্রিশ মিনিটের পর থেকে বন্ধ। এরপর উস্তাদের সাথে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি! আর কত জন???
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • ৩৪ বছর বয়সী এক মহিলার বিয়ে হয়নি। অনেক চেষ্টার পর যার সাথে বিয়ে ঠিক হল তার আত্বীয় বিয়ের ঠিক আগের দিন সমবয়সী বলে বিয়ে ভেংগে দিয়ে যায়।
    অভিযোগ ছিল, এই বয়সে মেয়ে গর্ভবতী হতে পারবে না।
    বিয়ের আগের দিনই বিয়ে ভাংগার ব্যপারে ছেলের পুর্ন সমর্থন ছিল। ছেলেও হঠাত বলে বসে বয়স্ক মেয়ে বিয়ে করব না।
    ৩৪ বছর বয়সী মেয়েটার (নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না) মাথায় আকাশ ভেংগে পড়ে। বয়স, অপমান, লজ্জা, ভবিষ্যত দুশ্চিন্তা তাকে ঘিরে ধরে।
    নিজের একটু শান্তির জন্যে সে উমরাহতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
    মদীনাতে, মক্কাতে তার প্রার্থনা কতটা আবেগের ছিল
    জানি না। শুধু এটুকু জানি, সিজদাতে, কান্নারত অবস্থায় সে কুরআনের একটা আয়াত তিলাওয়াত করতে থাকতো।
    'তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না'।
    -সুরাহ যুমার: ৫৩।
    উমরাহ শেষে দেশে ফেরার পর এয়ারপোর্টের লাগেজ বেল্ট থেকে সুটকেস বের করতে বেগ পেতে হচ্ছিল বোনটার।
    পাশের এক সুদর্শন পুরুষ বেল্ট থেকে তাকে ব্যাগ নামিয়ে দিয়ে চলে গেল।
    এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে মেয়েটা তার অপেক্ষারত বোন আর দুলাভাইকে দেখতে পেল। সাথে দেখতে পেল বেল্ট থেকে লাগেজ নামিয়ে দেওয়া লোকটিকে। দুলাভাই পরিচয় করিয়ে দিলেন মেয়েটিকে তার বন্ধুটির সাথে।
    জি। এই পরিচয় বিয়েতে রুপ নিতে সময় লেগেছে খুব কম।
    দুয়ার রিফ্লেকশন সিনেমাটিক মনে হয়েছে? তাহলে আরও শুনুন।
    বোনটির বিয়ের পর সন্তানের সংখ্যা 3 ইন ওয়ান শট।
    আমি এতে অবাক হইনি।
    এখানে শেষ না।
    যেই মানুষটা বয়সের অজুহাতে বিয়ের আগের দিন বিয়ে ভেংগে ফেলেছিল এবং পরে কচি বিয়ে করেছে , তার বিয়ের পর অনেক চেষ্টা করেও সন্তান হচ্ছে না।
    যাই হোক। এটা তাদের ব্যাপার। সন্তানহীন, সেটা আল্লাহর ইচ্ছা। দোষারোপের উদ্দেশ্যে বলিনি।
    আমার উদ্দেশ্য এটা বুঝানো, দুয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে দুয়া করতে থাকুন। একিন সৎ হলে, আর হালাল পথে চললে একদিন দুয়া কবুল হবে ইনশাআল্লাহ । ©
    "বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু"।
    -সুরা যুমারঃ ৫৩। সংগৃহীত
    ৩৪ বছর বয়সী এক মহিলার বিয়ে হয়নি। অনেক চেষ্টার পর যার সাথে বিয়ে ঠিক হল তার আত্বীয় বিয়ের ঠিক আগের দিন সমবয়সী বলে বিয়ে ভেংগে দিয়ে যায়। অভিযোগ ছিল, এই বয়সে মেয়ে গর্ভবতী হতে পারবে না। বিয়ের আগের দিনই বিয়ে ভাংগার ব্যপারে ছেলের পুর্ন সমর্থন ছিল। ছেলেও হঠাত বলে বসে বয়স্ক মেয়ে বিয়ে করব না। ৩৪ বছর বয়সী মেয়েটার (নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না) মাথায় আকাশ ভেংগে পড়ে। বয়স, অপমান, লজ্জা, ভবিষ্যত দুশ্চিন্তা তাকে ঘিরে ধরে। নিজের একটু শান্তির জন্যে সে উমরাহতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মদীনাতে, মক্কাতে তার প্রার্থনা কতটা আবেগের ছিল জানি না। শুধু এটুকু জানি, সিজদাতে, কান্নারত অবস্থায় সে কুরআনের একটা আয়াত তিলাওয়াত করতে থাকতো। 'তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না'। -সুরাহ যুমার: ৫৩। উমরাহ শেষে দেশে ফেরার পর এয়ারপোর্টের লাগেজ বেল্ট থেকে সুটকেস বের করতে বেগ পেতে হচ্ছিল বোনটার। পাশের এক সুদর্শন পুরুষ বেল্ট থেকে তাকে ব্যাগ নামিয়ে দিয়ে চলে গেল। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে মেয়েটা তার অপেক্ষারত বোন আর দুলাভাইকে দেখতে পেল। সাথে দেখতে পেল বেল্ট থেকে লাগেজ নামিয়ে দেওয়া লোকটিকে। দুলাভাই পরিচয় করিয়ে দিলেন মেয়েটিকে তার বন্ধুটির সাথে। জি। এই পরিচয় বিয়েতে রুপ নিতে সময় লেগেছে খুব কম। দুয়ার রিফ্লেকশন সিনেমাটিক মনে হয়েছে? তাহলে আরও শুনুন। বোনটির বিয়ের পর সন্তানের সংখ্যা 3 ইন ওয়ান শট। আমি এতে অবাক হইনি। এখানে শেষ না। যেই মানুষটা বয়সের অজুহাতে বিয়ের আগের দিন বিয়ে ভেংগে ফেলেছিল এবং পরে কচি বিয়ে করেছে , তার বিয়ের পর অনেক চেষ্টা করেও সন্তান হচ্ছে না। যাই হোক। এটা তাদের ব্যাপার। সন্তানহীন, সেটা আল্লাহর ইচ্ছা। দোষারোপের উদ্দেশ্যে বলিনি। আমার উদ্দেশ্য এটা বুঝানো, দুয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে দুয়া করতে থাকুন। একিন সৎ হলে, আর হালাল পথে চললে একদিন দুয়া কবুল হবে ইনশাআল্লাহ । © "বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু"। -সুরা যুমারঃ ৫৩। সংগৃহীত
    2
    0 Comments 0 Shares
  • দুইজন একই গুনাহ করেছে। শাস্তি দুইজনের একই হতে পারত। কিন্তু হবে না।
    কেন?
    প্রথমজন গুনাহ করেছে, কিন্তু সে কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়েছে। গোপন রাখার চেষ্টা করেছে। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা তাকে সবার আড়ালে একান্তে জিজ্ঞেস করবেন, “তোমার কি এই এই গুনাহের কথা মনে আছে?” সে বলবে, “হ্যাঁ আমার রব! আমি স্বীকার করছি।”
    আল্লাহ তা‘আলা তখন বলবেন, “আমি দুনিয়াতে তোমার পাপ গোপন রেখেছিলাম আর আজকেও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম।” (বুখারি, হাদিস নংঃ ৪৪০৮)
    আর যে নিজের গুনাহ প্রচার করে বেড়িয়েছে? ফেইসবুকে In a relationship with X, Watching Y Movie, Listening to Z Track- লিখে বেড়িয়েছে, বন্ধুদের সাথে রসালো আলাপে গার্লফ্রেন্ডের সাথে কী কী করেছে তা বলেছে, ল্যাপটপে কয় জিবি পি-টাইপ জিনিসপত্র আছে তা স্বগর্বে বলে বেড়িয়েছে, তার ব্যাপারে কী বলা আছে?
    রাসূল (সা) বলেছেন, “আমার উম্মাতের মধ্যে মুজাহারা ছাড়া সকলকে ক্ষমা করা হবে। মুজাহারা হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে রাতে কোনো গুনাহ করেছে আর আল্লাহ তার অপকর্মকে গোপন রাখলেন।
    কিন্তু লোকটি সকালে লোকদের ডেকে বলতে থাকল, ‘হে অমুক আমি রাতে এই এই… কাজ করেছি।’ রাতে তার রব তাকে গোপন করল আর সকালে সে আল্লাহর গোপন করা বিষয় প্রকাশ করে দিল।” (বুখারি, হাদিস নংঃ ৫৭২১)
    যারা গুনাহ প্রকাশ করে তাদের জন্য এমন ভয়াবহ শাস্তি কেন? কারণ, একে তো তারা আল্লাহর বেঁধে দেয়া সীমার কোনো তোয়াক্কা করেনি, তারপর আবার মানুষকে ডেকে ডেকে সে গুনাহের কথা জানিয়েছে। যেন আল্লাহকে মেসেজ দেয়া, “তোমার বিধানে যা ইচ্ছা থাকুক, I don’t care।”
    শুধু যে সে নিজে গুনাহ কামাচ্ছে তা না, তার দ্বারা অনেকে এই খারাপ কাজটি করতে প্ররোচিত হতে পারে। বন্ধুর কাছ থেকে বিশেষ সিরিজের নাম শুনে পরবর্তীতে নেটে সেটা খুঁজতে গিয়ে নীল জগতের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে, এমন দৃষ্টান্ত বহু আছে। বহন করার জন্য তো নিজেদের গুনাহ-ই যথেষ্ট। কী দরকার আরেকজনের গুনাহ স্বেচ্ছায় বহন করা?
    ভাইয়েরা! আমরা যদি রাস্তায় পথ চলতে চলতে জামা-কাপড় খারাপ করে ফেলি, তবে কি তা সবাইকে দেখিয়ে বেড়াই না আড়াল করার চেষ্টা করি?
    আল্লাহকে অমান্য করা তো তার চেয়ে বেশি লজ্জার। বেশি অপমানের। কেন তা সবাইকে দেখিয়ে বেড়াতে হবে?
    © শিহাব আহমেদ তুহিন
    দুইজন একই গুনাহ করেছে। শাস্তি দুইজনের একই হতে পারত। কিন্তু হবে না। কেন? প্রথমজন গুনাহ করেছে, কিন্তু সে কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়েছে। গোপন রাখার চেষ্টা করেছে। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা তাকে সবার আড়ালে একান্তে জিজ্ঞেস করবেন, “তোমার কি এই এই গুনাহের কথা মনে আছে?” সে বলবে, “হ্যাঁ আমার রব! আমি স্বীকার করছি।” আল্লাহ তা‘আলা তখন বলবেন, “আমি দুনিয়াতে তোমার পাপ গোপন রেখেছিলাম আর আজকেও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম।” (বুখারি, হাদিস নংঃ ৪৪০৮) আর যে নিজের গুনাহ প্রচার করে বেড়িয়েছে? ফেইসবুকে In a relationship with X, Watching Y Movie, Listening to Z Track- লিখে বেড়িয়েছে, বন্ধুদের সাথে রসালো আলাপে গার্লফ্রেন্ডের সাথে কী কী করেছে তা বলেছে, ল্যাপটপে কয় জিবি পি-টাইপ জিনিসপত্র আছে তা স্বগর্বে বলে বেড়িয়েছে, তার ব্যাপারে কী বলা আছে? রাসূল (সা) বলেছেন, “আমার উম্মাতের মধ্যে মুজাহারা ছাড়া সকলকে ক্ষমা করা হবে। মুজাহারা হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে রাতে কোনো গুনাহ করেছে আর আল্লাহ তার অপকর্মকে গোপন রাখলেন। কিন্তু লোকটি সকালে লোকদের ডেকে বলতে থাকল, ‘হে অমুক আমি রাতে এই এই… কাজ করেছি।’ রাতে তার রব তাকে গোপন করল আর সকালে সে আল্লাহর গোপন করা বিষয় প্রকাশ করে দিল।” (বুখারি, হাদিস নংঃ ৫৭২১) যারা গুনাহ প্রকাশ করে তাদের জন্য এমন ভয়াবহ শাস্তি কেন? কারণ, একে তো তারা আল্লাহর বেঁধে দেয়া সীমার কোনো তোয়াক্কা করেনি, তারপর আবার মানুষকে ডেকে ডেকে সে গুনাহের কথা জানিয়েছে। যেন আল্লাহকে মেসেজ দেয়া, “তোমার বিধানে যা ইচ্ছা থাকুক, I don’t care।” শুধু যে সে নিজে গুনাহ কামাচ্ছে তা না, তার দ্বারা অনেকে এই খারাপ কাজটি করতে প্ররোচিত হতে পারে। বন্ধুর কাছ থেকে বিশেষ সিরিজের নাম শুনে পরবর্তীতে নেটে সেটা খুঁজতে গিয়ে নীল জগতের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে, এমন দৃষ্টান্ত বহু আছে। বহন করার জন্য তো নিজেদের গুনাহ-ই যথেষ্ট। কী দরকার আরেকজনের গুনাহ স্বেচ্ছায় বহন করা? ভাইয়েরা! আমরা যদি রাস্তায় পথ চলতে চলতে জামা-কাপড় খারাপ করে ফেলি, তবে কি তা সবাইকে দেখিয়ে বেড়াই না আড়াল করার চেষ্টা করি? আল্লাহকে অমান্য করা তো তার চেয়ে বেশি লজ্জার। বেশি অপমানের। কেন তা সবাইকে দেখিয়ে বেড়াতে হবে? © শিহাব আহমেদ তুহিন
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 5
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
More Stories