• 341 people like this
  • News and Politics
Recent Updates
  • পেপারের ১০০ লেখা কখনো সম্পদ হতে পারে না, কাগজের টাকা সম্পদ নয়, তবে কাগজের ওজনটুকু সম্পদ। সেই হিসেবে ১০ টাকা আর ১০০০ টাকার নোটে ৫ পয়সারও কম ডিফারেন্ট সম্পদ আছে। পেপার একটা চেক হতে পারে যা সহজে বহন করা যেতে পারে, তবে এর বিপরীতে অবশ্যই সোনা/রূপা থাকতে হবে। এগুলো সম্পদ। কিন্তু, আমরা সবাই জানি ১৯৬০ সালের পর থেকে টাকার পিছনে কোনো কিছুই নেই, শূণ্য থেকে যত ইচ্ছে প্রিন্ট করা হচ্ছে।

    সোজা-সাপ্টা কথায় - "কাগজের টাকা মূলত ধোঁকা"
    সোজা-সাপ্টা-সংক্ষিপ্ত কথায় - "এই টাকার সিস্টেম পুরোপুরি 'হারাম' এবিষয়ে সন্দেহ নেই"‍ (কারণ, একটা বাচ্চাকে বুঝালেও সে বুঝতে পারে কারেন্সির আপডাউনেই ফরেক্সে রিবা হয়)

    আরো একটা সোজা হিসেবঃ "ব্যাংকে টাকা রাখা মানে টাকা পুড়ানো, ব্যাংক কখনো আপনার সম্পদ বৃদ্ধি করে না, বরং কমায়। হয়তো ১০ টাকা বেড়ে ১৩ টাকা হবে ৫ বছর পর। কিন্তু, ৫ বছর পর ১০ টাকার চিপস ১৫ টাকা হবে, আপনার ২ টাকা লস। টাকা হলো প্রতারণা, রানিং সিস্টেম হলো সম্পূর্ণ হারাম। ব্যাংক হলো টাকা পুড়িয়ে ফেলে। সোনা/রূপা হলো স্থায়ী সম্পদ।"

    দুজন দাদু, মৃত্যুর আগে একজন ১ কোটি টাকা রেখে গেলো, আরেকজন ১ কোটি টাকার হুবহু সমপরিমাণ সোনা রেখে গেলো। দাদুদের মৃত্যুর ২০০ বছর পর যার কাছে সোনা ছিলো সেই ধনী আর যার কাছে টাকা ছিলো সে ভিক্ষুক। টাকার মান ভয়ংকর ভাবে কমে যাচ্ছে বিগত ১০০ বছরের গ্রাফ দেখুন।

    https://youtu.be/NMcR9UySE8E
    পেপারের ১০০ লেখা কখনো সম্পদ হতে পারে না, কাগজের টাকা সম্পদ নয়, তবে কাগজের ওজনটুকু সম্পদ। সেই হিসেবে ১০ টাকা আর ১০০০ টাকার নোটে ৫ পয়সারও কম ডিফারেন্ট সম্পদ আছে। পেপার একটা চেক হতে পারে যা সহজে বহন করা যেতে পারে, তবে এর বিপরীতে অবশ্যই সোনা/রূপা থাকতে হবে। এগুলো সম্পদ। কিন্তু, আমরা সবাই জানি ১৯৬০ সালের পর থেকে টাকার পিছনে কোনো কিছুই নেই, শূণ্য থেকে যত ইচ্ছে প্রিন্ট করা হচ্ছে। সোজা-সাপ্টা কথায় - "কাগজের টাকা মূলত ধোঁকা" সোজা-সাপ্টা-সংক্ষিপ্ত কথায় - "এই টাকার সিস্টেম পুরোপুরি 'হারাম' এবিষয়ে সন্দেহ নেই"‍ (কারণ, একটা বাচ্চাকে বুঝালেও সে বুঝতে পারে কারেন্সির আপডাউনেই ফরেক্সে রিবা হয়) আরো একটা সোজা হিসেবঃ "ব্যাংকে টাকা রাখা মানে টাকা পুড়ানো, ব্যাংক কখনো আপনার সম্পদ বৃদ্ধি করে না, বরং কমায়। হয়তো ১০ টাকা বেড়ে ১৩ টাকা হবে ৫ বছর পর। কিন্তু, ৫ বছর পর ১০ টাকার চিপস ১৫ টাকা হবে, আপনার ২ টাকা লস। টাকা হলো প্রতারণা, রানিং সিস্টেম হলো সম্পূর্ণ হারাম। ব্যাংক হলো টাকা পুড়িয়ে ফেলে। সোনা/রূপা হলো স্থায়ী সম্পদ।" দুজন দাদু, মৃত্যুর আগে একজন ১ কোটি টাকা রেখে গেলো, আরেকজন ১ কোটি টাকার হুবহু সমপরিমাণ সোনা রেখে গেলো। দাদুদের মৃত্যুর ২০০ বছর পর যার কাছে সোনা ছিলো সেই ধনী আর যার কাছে টাকা ছিলো সে ভিক্ষুক। টাকার মান ভয়ংকর ভাবে কমে যাচ্ছে বিগত ১০০ বছরের গ্রাফ দেখুন। https://youtu.be/NMcR9UySE8E
    4
    0 Comments 0 Shares
  • Agenda - 21 and Secret of WHO
    কোভিড-১৯ কি শুধুই একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নাকি এর পেছনে রয়েছে কারো সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র? এটি কি নিছক কোনো প্রাকৃতিক বিশৃঙ্খলা, নাকি কেও চেষ্টা করছে বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার?

    কেন এই ষড়যন্ত্র, কারা করছে এসব, জানতে চান? তাহলে বইটি পড়ুন।
    বিশ্বাস-অবিশ্বাস আপনার ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত। আপনাকে জোর করে বিশ্বাস এনে দিতে আমি পারি না। তবে যা পারি তা হলো - সত্য জানাতে।

    অসংখ্য ভাইরাস আছে যা প্রাকৃতিক। কিন্তু, করোনা ভাইরাস (২০২১), পূর্বের প্রাকৃতিক ভাইরাসের মোডিফিকেশন করে বানানো একটি নতুন ভাইরাস, যাতে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে।

    সংক্ষিপ্ত সারঃ
    ১. করোনা (২০২১) তৈরির কারণ জনসংখ্যা কমানো। কারণ, পৃথিবীতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে, যার প্রধান কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি । এখন কন্ট্রোল করতে না পারলে ইলুমিনাতিরা মনে করে থাকে যে পৃথিবীর ধ্বংস অনিবার্য।

    ২. করোনার মেইন টার্গেটঃ গরীব-অশিক্ষিত-অপুষ্ট শ্রেণীর লোকেরা এবং তারা যাদের এমন রোগ আছে যা জেনেটিক, যা পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তারিত হয়। যেমনঃ ডায়াবেটিকস।

    ৩. করোনার মূল আক্রান্তের সংখ্যা ও সরকার ঘোষিত সংখ্যার পার্থক্য আকাশ পাতাল।

    ৪. করোনা ছড়ছে না বরং ছড়ানো হচ্ছে। প্রতিটা গ্রাম-মহল্লা, অলিতে-গলিতে ইচ্ছে করে ছড়ানো হচ্ছে। যারা ছড়াচ্ছে তাদের কেও জ্ঞাত কেও অজ্ঞাত তাদের কর্ম সম্পর্কে।

    পার্ট - ২ পড়ুন।

    পার্ট - ২

    ৫. করোনার ভ্যাকসিনে প্রাধান্য পাবে গরীব-অশিক্ষিতরা। কারণ হিসেবে মনে করা হয়ে থাকে তারাই অধিক হারে সন্তান জন্ম দেয়। করোনার ভ্যাকসিন তাদের সন্তান জন্ম দানে প্রচুর বাঁধা সৃষ্টি করবে। অন্য ভাষায় বললেঃ নারী-পুরুষ উভয়কেই বন্ধা বানাবে। সিদ্ধান্ত আপনার, সচেতন করুন কাছের মানুষদের।

    ৬. আপনি কি জানেন ভ্যাকসিন ইনডাস্ট্রিজ গুলোর লিডার কে? ইন্টারনেট খুঁজলেই পেয়ে যাবেনঃ ইজরাঈল (https://www.google.com/.../how-israel-became-the-world...)

    এরা টক্সিক যুক্ত করেছে প্রায় প্রতিটি ফুডস এ। যেমনঃ কোকাকোলা (বৈজ্ঞানিক ভাবেই প্রামাণিত কার্বনেটেড ড্রিংকস সন্তান জন্মদানে বাঁধা সৃষ্টি করে), মেয়েদের টিনএজ ভ্যাকসিন (যা খুব নৃশংস একটি ব্যাপার, মেয়েদের বয়স ১৩-১৫ হলেই তাদের তীব্র থেকে তীব্রতর ভ্যাকসিনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্মদানের অরগান ছিন্ন-ভিন্ন করার চেষ্টা করা হয়। যাতে মেয়েরা বাচ্চা দিতে যেয়ে নানা প্রতিকূলতার শিকার হয়। বন্ধা হয় অসংখ্য।

    স্কুলের টিচাররা বা সরকার নানা ভাবে এটি দেওয়ার চেষ্টা করে, যা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এধরণের জঘণ্যতা থেকে সাবধান। এ বিষয়ে সিক্রেট এক্সপ্লোরড প্রমাণসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ)

    Link: https://t.me/SecretExplored
    Agenda - 21 and Secret of WHO কোভিড-১৯ কি শুধুই একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নাকি এর পেছনে রয়েছে কারো সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র? এটি কি নিছক কোনো প্রাকৃতিক বিশৃঙ্খলা, নাকি কেও চেষ্টা করছে বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার? কেন এই ষড়যন্ত্র, কারা করছে এসব, জানতে চান? তাহলে বইটি পড়ুন। বিশ্বাস-অবিশ্বাস আপনার ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত। আপনাকে জোর করে বিশ্বাস এনে দিতে আমি পারি না। তবে যা পারি তা হলো - সত্য জানাতে। অসংখ্য ভাইরাস আছে যা প্রাকৃতিক। কিন্তু, করোনা ভাইরাস (২০২১), পূর্বের প্রাকৃতিক ভাইরাসের মোডিফিকেশন করে বানানো একটি নতুন ভাইরাস, যাতে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। সংক্ষিপ্ত সারঃ ১. করোনা (২০২১) তৈরির কারণ জনসংখ্যা কমানো। কারণ, পৃথিবীতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে, যার প্রধান কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি । এখন কন্ট্রোল করতে না পারলে ইলুমিনাতিরা মনে করে থাকে যে পৃথিবীর ধ্বংস অনিবার্য। ২. করোনার মেইন টার্গেটঃ গরীব-অশিক্ষিত-অপুষ্ট শ্রেণীর লোকেরা এবং তারা যাদের এমন রোগ আছে যা জেনেটিক, যা পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তারিত হয়। যেমনঃ ডায়াবেটিকস। ৩. করোনার মূল আক্রান্তের সংখ্যা ও সরকার ঘোষিত সংখ্যার পার্থক্য আকাশ পাতাল। ৪. করোনা ছড়ছে না বরং ছড়ানো হচ্ছে। প্রতিটা গ্রাম-মহল্লা, অলিতে-গলিতে ইচ্ছে করে ছড়ানো হচ্ছে। যারা ছড়াচ্ছে তাদের কেও জ্ঞাত কেও অজ্ঞাত তাদের কর্ম সম্পর্কে। পার্ট - ২ পড়ুন। পার্ট - ২ ৫. করোনার ভ্যাকসিনে প্রাধান্য পাবে গরীব-অশিক্ষিতরা। কারণ হিসেবে মনে করা হয়ে থাকে তারাই অধিক হারে সন্তান জন্ম দেয়। করোনার ভ্যাকসিন তাদের সন্তান জন্ম দানে প্রচুর বাঁধা সৃষ্টি করবে। অন্য ভাষায় বললেঃ নারী-পুরুষ উভয়কেই বন্ধা বানাবে। সিদ্ধান্ত আপনার, সচেতন করুন কাছের মানুষদের। ৬. আপনি কি জানেন ভ্যাকসিন ইনডাস্ট্রিজ গুলোর লিডার কে? ইন্টারনেট খুঁজলেই পেয়ে যাবেনঃ ইজরাঈল (https://www.google.com/.../how-israel-became-the-world...) এরা টক্সিক যুক্ত করেছে প্রায় প্রতিটি ফুডস এ। যেমনঃ কোকাকোলা (বৈজ্ঞানিক ভাবেই প্রামাণিত কার্বনেটেড ড্রিংকস সন্তান জন্মদানে বাঁধা সৃষ্টি করে), মেয়েদের টিনএজ ভ্যাকসিন (যা খুব নৃশংস একটি ব্যাপার, মেয়েদের বয়স ১৩-১৫ হলেই তাদের তীব্র থেকে তীব্রতর ভ্যাকসিনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্মদানের অরগান ছিন্ন-ভিন্ন করার চেষ্টা করা হয়। যাতে মেয়েরা বাচ্চা দিতে যেয়ে নানা প্রতিকূলতার শিকার হয়। বন্ধা হয় অসংখ্য। স্কুলের টিচাররা বা সরকার নানা ভাবে এটি দেওয়ার চেষ্টা করে, যা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এধরণের জঘণ্যতা থেকে সাবধান। এ বিষয়ে সিক্রেট এক্সপ্লোরড প্রমাণসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ) Link: https://t.me/SecretExplored
    5
    0 Comments 0 Shares
  • 4
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
More Stories