আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু । সালাত গ্রুপের পক্ষ থেকে গ্রুপের সকল সম্মানিত সদস্যদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। প্রিয় সদস্যগণ, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে সালাত fb গ্রুপ একটি সহীহ আকিদা সম্পন্ন ইসলামী fb গ্রুপ। এখানে যে সব সদস্য লেখা পোস্ট করেন সবাই সহীহ আকিদা অনুসরণ করেন বলে সালাত গ্রুপের এ্যাডমিন মহোদয় মনে করেন। সহীহ আকিদা সম্পন্ন কোন লেখা না হলে গ্রুপে কোন অবস্থাতেই এ্যপ্রুভ করা হয় না। অনেক সময় অনেক সদস্য অভিযোগ করেন যে তার লেখা পোস্ট এ্যপ্রুভ করা হয় না কেন এক্ষেত্রে অনেক সমস্যা আছে তার ভিতর প্রধান সমস্যা গ্রুপের নিয়ম বহির্ভূত লেখা পোস্ট করা। যেমন: -কেউ আমিন না লিখে যাবেন না, সবাই বলুন আমিন, সবাই বলুন সুবহানাল্লাহ, এ বিষয়ে আপনি একমত, ইত্যাদি। লিখে পোস্ট করলে এ্যপ্রুভ করা হয় না। " যারা গ্রুপে পোষ্ট করবেন " " তারা কিছু নিয়ম মানতে বাধ্য থাকবেন " আপনার প্রোফাইল ও কভার পিকচার পরিপূর্ণ ইসলামিক করার চেষ্টা করবেন। অন্যথায় আপনার পোস্ট গ্রুপে এ্যপ্রুভ করার সম্ভাবনা কম থাকে। ক্যাপশন ছাড়া শুধু পিকচার দিয়ে পোস্ট করা বা পিকচার ছাড়া শুধু লেখা পোস্ট করা এক্ষেত্রে অনেক সময় পোস্ট এ্যপ্রুভ করা হয় না। ক্বলামের সাথে মিল রেখে ইসলামিক পিকচার গ্রুপে অাবশ্যকীয়। কোন ধরনের শেয়ার পোস্ট এপ্রোভ করা যাবে না। পোষ্ট বা পিকচারে কোন লিংক অথবা কারো নাম যুক্ত করা থাকলে এবং কোন গ্রুপের লিংক থাকলে অনেক সময় পোস্ট এ্যপ্রুভ করা হয় না। প্রতিদিন ৫ টি পোষ্ট করতে চেষ্টা করুন এবং একটা পোষ্ট হতে আরেকটি পোষ্টের দূরত্ব রাখবেন অন্তত ৩০ মিনিট। একই লেখা একই সময়ে একাধিক সদস্য পোস্ট করলে আগে যিনি পোস্ট করেন সেই পোস্ট এ্যপ্রুভ করা হয়। বাকি গুলি এ্যপ্রুভ করা হয় না। বে-পর্দা নারীর ছবি পোস্ট করা যাবেনা। মেয়েদের ছবি পোস্ট করার প্রয়োজন হলে অবশ্যই পরিপূর্ণ চেহারা ঢাঁকা পর্দা করা মেয়ের ছবি পোস্ট করতে হবে। যারা গ্রুপে অতিরিক্ত শেয়ার এবং অশ্লীল পোস্ট করে ,অবশ্যই তাদের ব্লক করতে বাধ্য থাকবে এ্যাডমিন মহোদয়। প্রতিটি পোস্টে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্বচ্ছ/পরিষ্কার ইসলামিক পিকচার ব্যবহার করতে হবে। ছোট সাইজের নোংরা, ঘোলা, অপরিষ্কার পিকচার গ্রুপে দেখা মাত্রই ডিলিট করা হবে। শুধু পিকচার অথবা শুধু লেখা না দিয়ে লেখার সাথে মিল রেখে একটি ইসলামিক পিকচার দিয়ে পোস্ট করুন এবং কমপক্ষে তিন/চার লাইন ইসলামীক কোন কথা লিখুন অথবা ছবির সঙ্গে মিল রেখে একটি কোরআনের আয়াত কিংবা হাদিস লিখে তা পোস্ট করুন । এক পোষ্ট একবারের বেশি পোষ্ট করা যাবে না ৷ 【বিঃ দ্রঃ】 উল্লেখিত নিয়ম ভঙ্গ বা অমান্য করে অথবা নিয়মের বাহিরে গ্রুপে পোস্ট করলে গ্রহন যোগ্য নয়। পিন পোষ্ট নিয়মিত পড়ুন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী পোস্ট করুন৷ অতিরিক্ত আরও কিছু নিয়মের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। নিম্নে তা উল্লেখ করা হচ্ছেঃ ==================================== নিয়মিত ইসলামিক বা শিক্ষনীয় পোস্ট করতে হবে। আপনার প্রোফাইল এর ভেতর ইসলামিক পোস্ট রাখার চেষ্টা করুন। কোরআন/সুন্নাহ সম্পর্কীয় পোস্টে রেফারেন্স দেওয়ার ওপর যত্নশীল হতে হবে ৷ ইসলাম বিরোধী পিকচার অথবা পোস্ট গ্রহণযোগ্য নয়। আর পোস্ট করবেন ইসলাম প্রচারের লক্ষে। লাইক, কমেন্ট এর পিছনে পড়বেন না ৷ আপনার পোস্টে কেউ বাজে কমেন্ট/লিঙ্ক যুক্ত কমেন্ট অথবা কারও সেলফি কমেন্ট করলে,আপন দায়ীত্বে ডিলিট করবেন। অতএব, সকল সদস্যকে এ গ্রুপের সব শর্তসমূহ মেনে পোস্ট করলে যত দ্রুত সম্ভব হয় এ্যাডমিনগন তা এপ্রোভ করে দিবেন। #ইনশাআল্লাহ আসুন ইসলামিক আদর্শে জীবন গড়ি। See Less
Recent Updates
  • 6
    0 Comments 0 Shares
  • 4
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • #শিরকের_বাস্তবতা (যা আপনাকে জানতেই হবে)
    শিরক সম্পর্কে জানলেন না তো আপনার এ জীবন-ই বৃথা! নামাজ, রোজা, হজ্জ, দানের মতো বড় বড় ইবাদতকে এটা ধ্বংস করে দেয়। আর শেষ ফলাফল হলো স্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থান।
    🔘আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নামে কসম করা শিরক।
    __(আবু দাউদ :৩২৩৬, ইফা)
    🔘কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষণ বা কুলক্ষণ মনে করা শিরক।
    __(বুখারি:৫৩৪৬,আবু দাউদ:৩৯১০)
    🔘মাজার ও কোন পীর-ফকির কিংবা কারো নিকট সিজদা দেয়া শিরক।
    __(সূরা জিন:২০, মুসলিম :১০৭৭, আবু দাউদ, মুওাফাকুন আলাইহি)
    🔘আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো বা যেকোন পীর-আওলিয়া কিংবা মাজারের নামে মানত করা শিরক।
    __(সহীহ বুখারি: অধ্যায়:তাকদির)
    🔘কেউ পেছন দিক থেকে ডাক দিলে কিংবা নিজে যাএার সময় পিছন ফিরে তাকালে যাত্রা অশুভ হয় এই ধারণা বিশ্বাস করা শিরক।
    __(বুখারি,আবু দাউদ :৩৯১০)
    🔘কোন বিপদে পড়ে আল্লাহকে বাদ দিয়ে “ও মা,ও বাবা” ইত্যাদি বলে এই রকম গায়েবি ডাকা শিরক। বিপদে পড়লে “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন” বলতে হয়।
    __(সূরা বাকারাহ:১৫৬)
    🔘তোর ভবিষ্যত অন্ধকার,’তোর কপালে বহুত কষ্ট আছে, এই ধরনের গায়েবি কথা কাউকে বলা শিরক।
    __(সূরা নমল:৬৫,আল জিন :২৫-২৬,আনাম:৫৯)
    🔘হোঁচট খেলে কিংবা পেচা ডাকলে সামনে বিপদ আছে এই ধারনা শিরক।
    __(সূরা আনাম:১৭,ইউনুস :১০৭)
    🔘রোগ ব্যাধি বা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে শরীরে পিতলের বালা, শামুক, ঝিনুকের মালা, সুতা, কিংবা যেকোন প্রকারের বস্ত লটকানো শিরক।
    __(তিরমিযী, আবু দাউদ ও হাকেম)
    🔘সকালে বেচাকেনা না করে কোন কাষ্টমারকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যার সময় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমঙ্গল হয় এই ধারনা করা শিরক।
    __(আবু দাউদ :৩৯১০)
    🔘সফলতা কিংবা মঙ্গল লাভের জন্য এবং অমঙ্গল থেকে রক্ষা পেতে যেকোন প্রকার আংটি ব্যবহার করা শিরক।
    __(সূরা আনাম:১৭,ইউনুস:১০৭)
    🔘যে কোন জড় বস্তুকে সম্মান দেখানো তথা তাযীম করা বা তার সামনে নিরবতা পালন করা শিরক।
    __(সূরা বাকারাহ:২৩৮, আহকাফ:৫, ফাতহুল বারি ৭/৪৪৮,আবু দাউদ :৪০৩৩)
    🔘আল্লাহর ছাড়া অন্য কারো সন্তষ্টি অর্জনের জন্য কিংবা লোক দেখানো ইবাদত করা শিরক।
    __(সূরা আনআম:১৬২,বাইয়িনাহ:৫, কাহফ:১১০, আলি ইমরান:৬৪, ইবনে মাজাহ হা নং ৫২০৪)
    🔘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন গণক বা অন্য কেউ গায়েব জানে এই কথা বিশ্বাস করা শিরক।
    __(সূরা নমল:৬৫,আল জিন:২৬,আনাম:৫৯)
    🔘পায়রা/কবুতর উড়িয়ে শান্তি কামনা করা শিরক, কারণ শান্তিদাতা একমাত্র আল্লাহ্
    __(সূরা হাশর:২৩)
    🔘আল্লাহর ছাড়া কোন পীর আওলিয়া এবং কোন মাজারের নিকট দোয়া করা বা কোন কিছু চাওয়া শিরক।
    __(সূরা ফাতিহা :৪, আশ
    শোআরা:২১৩, গাফির:৬০, তিরমিযী)
    🔘”আপনি চাইলে এবং আল্লাহ্ চাইলে এই কাজটি হবে”এই কথা বলা শিরক।
    –(নাসাঈ) এখানে শুধু আল্লাহ্ চাইলে হবে, বলা যেতে পারে।
    এইরকম আরো অসংখ্য শিরক সমাজে বিদ্যামান।
    .....
    আল্লাহ্ বলেন, অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে,কিন্তু সাথে শিরকও করে।
    __(সূরা ইউসুফ :১০৬)
    ⚠️মনে রাখবেন,,
    শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না।
    আল্লাহ্ বলেন,,
    নিসন্দেহে আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না।
    __(সূরা নিসা :৪৮,১১৬)
    নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন।
    __(সূরা মায়িদাহ:৭২)
    রাসুল্লাহ্ (সাঃ)বলেছেন,,
    “আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভৃত হলেন,তিনি বললেন,আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন,যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে,সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম,যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে?তিনি বললেন:যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।
    __(সহীহ বুখারি:১২ ৩৭,মুসলিম :৯৪)
    শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসাত্মাক বিষয়, শত পাপ করলেও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনাই নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
    আল্লাহ্ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমীন।
    #শিরকের_বাস্তবতা (যা আপনাকে জানতেই হবে) শিরক সম্পর্কে জানলেন না তো আপনার এ জীবন-ই বৃথা! নামাজ, রোজা, হজ্জ, দানের মতো বড় বড় ইবাদতকে এটা ধ্বংস করে দেয়। আর শেষ ফলাফল হলো স্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থান। 🔘আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নামে কসম করা শিরক। __(আবু দাউদ :৩২৩৬, ইফা) 🔘কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষণ বা কুলক্ষণ মনে করা শিরক। __(বুখারি:৫৩৪৬,আবু দাউদ:৩৯১০) 🔘মাজার ও কোন পীর-ফকির কিংবা কারো নিকট সিজদা দেয়া শিরক। __(সূরা জিন:২০, মুসলিম :১০৭৭, আবু দাউদ, মুওাফাকুন আলাইহি) 🔘আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো বা যেকোন পীর-আওলিয়া কিংবা মাজারের নামে মানত করা শিরক। __(সহীহ বুখারি: অধ্যায়:তাকদির) 🔘কেউ পেছন দিক থেকে ডাক দিলে কিংবা নিজে যাএার সময় পিছন ফিরে তাকালে যাত্রা অশুভ হয় এই ধারণা বিশ্বাস করা শিরক। __(বুখারি,আবু দাউদ :৩৯১০) 🔘কোন বিপদে পড়ে আল্লাহকে বাদ দিয়ে “ও মা,ও বাবা” ইত্যাদি বলে এই রকম গায়েবি ডাকা শিরক। বিপদে পড়লে “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন” বলতে হয়। __(সূরা বাকারাহ:১৫৬) 🔘তোর ভবিষ্যত অন্ধকার,’তোর কপালে বহুত কষ্ট আছে, এই ধরনের গায়েবি কথা কাউকে বলা শিরক। __(সূরা নমল:৬৫,আল জিন :২৫-২৬,আনাম:৫৯) 🔘হোঁচট খেলে কিংবা পেচা ডাকলে সামনে বিপদ আছে এই ধারনা শিরক। __(সূরা আনাম:১৭,ইউনুস :১০৭) 🔘রোগ ব্যাধি বা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে শরীরে পিতলের বালা, শামুক, ঝিনুকের মালা, সুতা, কিংবা যেকোন প্রকারের বস্ত লটকানো শিরক। __(তিরমিযী, আবু দাউদ ও হাকেম) 🔘সকালে বেচাকেনা না করে কোন কাষ্টমারকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যার সময় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমঙ্গল হয় এই ধারনা করা শিরক। __(আবু দাউদ :৩৯১০) 🔘সফলতা কিংবা মঙ্গল লাভের জন্য এবং অমঙ্গল থেকে রক্ষা পেতে যেকোন প্রকার আংটি ব্যবহার করা শিরক। __(সূরা আনাম:১৭,ইউনুস:১০৭) 🔘যে কোন জড় বস্তুকে সম্মান দেখানো তথা তাযীম করা বা তার সামনে নিরবতা পালন করা শিরক। __(সূরা বাকারাহ:২৩৮, আহকাফ:৫, ফাতহুল বারি ৭/৪৪৮,আবু দাউদ :৪০৩৩) 🔘আল্লাহর ছাড়া অন্য কারো সন্তষ্টি অর্জনের জন্য কিংবা লোক দেখানো ইবাদত করা শিরক। __(সূরা আনআম:১৬২,বাইয়িনাহ:৫, কাহফ:১১০, আলি ইমরান:৬৪, ইবনে মাজাহ হা নং ৫২০৪) 🔘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন গণক বা অন্য কেউ গায়েব জানে এই কথা বিশ্বাস করা শিরক। __(সূরা নমল:৬৫,আল জিন:২৬,আনাম:৫৯) 🔘পায়রা/কবুতর উড়িয়ে শান্তি কামনা করা শিরক, কারণ শান্তিদাতা একমাত্র আল্লাহ্ __(সূরা হাশর:২৩) 🔘আল্লাহর ছাড়া কোন পীর আওলিয়া এবং কোন মাজারের নিকট দোয়া করা বা কোন কিছু চাওয়া শিরক। __(সূরা ফাতিহা :৪, আশ শোআরা:২১৩, গাফির:৬০, তিরমিযী) 🔘”আপনি চাইলে এবং আল্লাহ্ চাইলে এই কাজটি হবে”এই কথা বলা শিরক। –(নাসাঈ) এখানে শুধু আল্লাহ্ চাইলে হবে, বলা যেতে পারে। এইরকম আরো অসংখ্য শিরক সমাজে বিদ্যামান। ..... আল্লাহ্ বলেন, অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে,কিন্তু সাথে শিরকও করে। __(সূরা ইউসুফ :১০৬) ⚠️মনে রাখবেন,, শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ্ বলেন,, নিসন্দেহে আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না। __(সূরা নিসা :৪৮,১১৬) নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন। __(সূরা মায়িদাহ:৭২) রাসুল্লাহ্ (সাঃ)বলেছেন,, “আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভৃত হলেন,তিনি বললেন,আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন,যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে,সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম,যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে?তিনি বললেন:যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে। __(সহীহ বুখারি:১২ ৩৭,মুসলিম :৯৪) শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসাত্মাক বিষয়, শত পাপ করলেও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনাই নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। আল্লাহ্ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমীন।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • গুনাহ মাফের ৪ আমল!
    নানাভাবে মানুষের গুনাহ হয়। হয়তো ছোট গুনাহ, না হয় কবিরা (বড়) গুনাহ। গুনাহ হলে অনুতপ্ত হওয়া ও আল্লাহর কাছে তাওবা করা— মুমিনের কাজ। তাই গুনাহ হলেই মুমিন বিচলিত হয়ে ওঠে।
    সাধারণভাবে সব নেক কাজের মাধ্যমে কিছু না কিছু পাপমোচন হয়। সুরা হুদের ১১৪ নম্বর আয়াত থেকে এমনটা বোঝা যায়। এরপরও কোরআন ও হাদিসে গুনাহ মাফের মাধ্যম হিসেবে বিশেষ কিছু আমলের কথা এসেছে। তেমন কয়েকটি হলো—
    ১) ভালোভাবে অজু করা।
    হাদিসে রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘যখন কোনো মুসলিম অজু করে, তখন তার চেহারা ধোয়ার সময় পানির ফোঁটার সঙ্গে চোখের গুনাহগুলো ধুয়ে যায়। যখন হাত ধোয়া হয়, হাতের গুনাহগুলো ধুয়ে যায়। যখন পা ধোয়া হয় পানির ফোঁটার সঙ্গে পায়ের দ্বারা কৃত গুনাহগুলো ধুয়ে যায়। এভাবে বান্দা গুনাহ থেকে একেবারে পবিত্র হয়ে যায়।’
    _____(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৪)
    ২) নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়া!
    নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, ‘জামাতের নামাজ ঘরের বা বাজারের নামাজ অপেক্ষা ২৫ গুণ বেশি সওয়াবের। কেননা বান্দা যখন উত্তমরূপে অজু করে এবং একমাত্র নামাজের উদ্দেশ্যেই ঘর থেকে বের হয় তো প্রতিটি কদমের বিনিময়ে আল্লাহ্ তার একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং একটি করে গুনাহ মিটিয়ে দেন।’
    _____(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৪৭)
    ৩) রুকু থেকে উঠে ‘রব্বানা লাকাল হামদ’ বলা!
    রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘ইমাম যখন রুকু থেকে উঠে বলে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ তখন তোমরা বলো, ‘আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ।’ কেননা যার তাহমিদ ফেরেশতাদের সঙ্গে মিলবে তার আগের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’
    _____(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৯৬)
    ৪) রাসূল (সাঃ)-এর প্রতি দরুদ পাঠ!
    রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ্ তার প্রতি ১০টি রহমত অবতীর্ণ করবেন। তার ১০টি গুনাহ মাফ করে দেবেন এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন।’
    _____(সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১২৯৭)
    আল্লাহ্ পাক আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন আমীন!!
    গুনাহ মাফের ৪ আমল! নানাভাবে মানুষের গুনাহ হয়। হয়তো ছোট গুনাহ, না হয় কবিরা (বড়) গুনাহ। গুনাহ হলে অনুতপ্ত হওয়া ও আল্লাহর কাছে তাওবা করা— মুমিনের কাজ। তাই গুনাহ হলেই মুমিন বিচলিত হয়ে ওঠে। সাধারণভাবে সব নেক কাজের মাধ্যমে কিছু না কিছু পাপমোচন হয়। সুরা হুদের ১১৪ নম্বর আয়াত থেকে এমনটা বোঝা যায়। এরপরও কোরআন ও হাদিসে গুনাহ মাফের মাধ্যম হিসেবে বিশেষ কিছু আমলের কথা এসেছে। তেমন কয়েকটি হলো— ১) ভালোভাবে অজু করা। হাদিসে রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘যখন কোনো মুসলিম অজু করে, তখন তার চেহারা ধোয়ার সময় পানির ফোঁটার সঙ্গে চোখের গুনাহগুলো ধুয়ে যায়। যখন হাত ধোয়া হয়, হাতের গুনাহগুলো ধুয়ে যায়। যখন পা ধোয়া হয় পানির ফোঁটার সঙ্গে পায়ের দ্বারা কৃত গুনাহগুলো ধুয়ে যায়। এভাবে বান্দা গুনাহ থেকে একেবারে পবিত্র হয়ে যায়।’ _____(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৪) ২) নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়া! নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, ‘জামাতের নামাজ ঘরের বা বাজারের নামাজ অপেক্ষা ২৫ গুণ বেশি সওয়াবের। কেননা বান্দা যখন উত্তমরূপে অজু করে এবং একমাত্র নামাজের উদ্দেশ্যেই ঘর থেকে বের হয় তো প্রতিটি কদমের বিনিময়ে আল্লাহ্ তার একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং একটি করে গুনাহ মিটিয়ে দেন।’ _____(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৪৭) ৩) রুকু থেকে উঠে ‘রব্বানা লাকাল হামদ’ বলা! রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘ইমাম যখন রুকু থেকে উঠে বলে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ তখন তোমরা বলো, ‘আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ।’ কেননা যার তাহমিদ ফেরেশতাদের সঙ্গে মিলবে তার আগের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ _____(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৯৬) ৪) রাসূল (সাঃ)-এর প্রতি দরুদ পাঠ! রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ্ তার প্রতি ১০টি রহমত অবতীর্ণ করবেন। তার ১০টি গুনাহ মাফ করে দেবেন এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন।’ _____(সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১২৯৭) আল্লাহ্ পাক আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন আমীন!!
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
More Stories