Recent Updates
  • 𝑩𝒆 𝒔𝒐𝒎𝒆𝒐𝒏𝒆'𝒔 𝒎𝒐𝒐𝒏 𝒐𝒏 𝒂 𝒅𝒂𝒓𝒌 𝒉𝒐𝒑𝒆𝒍𝒆𝒔𝒔 𝒏𝒊𝒈𝒉𝒕 🌕🌌
    📸 mar.thyn.editions
    𝑩𝒆 𝒔𝒐𝒎𝒆𝒐𝒏𝒆'𝒔 𝒎𝒐𝒐𝒏 𝒐𝒏 𝒂 𝒅𝒂𝒓𝒌 𝒉𝒐𝒑𝒆𝒍𝒆𝒔𝒔 𝒏𝒊𝒈𝒉𝒕 🌕🌌 📸 mar.thyn.editions
    5
    0 Comments 0 Shares
  • সংসারে কতইনা ঝামেলা হয়, তাইনা?
    স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাঁটি, শাশুড়ী ননদদের প্যারা, কাজের প্রেসার, বাচ্চার দুষ্টামি ইত্যাদি...
    নিজের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। অসহায়ত্ব চেপে বসে, হতাশ লাগে। কান্না পায়, কিছুই ভালো লাগেনা, মনে হয় জীবনটা শেষ হয়ে গেলো বুঝি!
    আমি এমন কিছু দ্বীনিবোনদের চিনি যারা রিতীমত মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত হয়ে গেছে, আল্লাহুম্মাগফিরলী। তাদের যে কাউন্সেলিং প্রয়োজন তারাই ফীল করতে পারছেনা। যাই হোক, সবক্ষেত্রে কাউন্সেলিং লাগেওনা কিছু ব্যাপার মেনে নিলে।

    যারা এমন সমস্যাগ্রস্ত তাদের জন্য আমি কিছু পরামর্শ দিচ্ছি নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে। ট্রাস্ট মি, সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। ❤️

    ১) সার্বক্ষণিক জিকির ❤️
    সবসময়ই জিকিরে রত থাকবেন। ছোটো ছোটো জিকিরঃ সবচাইতে উত্তম হল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ! টয়লেট ছাড়া সব স্থানে জিকির করা যাবে। বাচ্চা ঘুম পাড়াবেন সুরে সুরে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ জিকির করে। বাসন ধুতে, রান্না করতে, ঘর গুছাতে সবসময় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ চলতে থাকবে।
    এছাড়া হাসবুনাল্লাহ ওয়া নি'মাল ওয়াকীল, দুরুদ, ইস্তেগফার ও জারি রাখবেন। মুখস্ত তিলাওয়াতগুলো করতে চেষ্টা করবেন। অন্তত বাচ্চাকে নিয়ে মোবাইলের এ্যাপ থেকে কুরআন তিলাওয়াতটা করার চেষ্টা করবেন রোজ ৫ মিনিট হলেও। আর রোজ ঘরে তিলাওয়াত অবশ্যই বাজাবেন। বাচ্চাকে বাদ্যবিহীন নাশীদ ও তিলাওয়াত শোনাবেন।

    ২) আল্লাহর সাথে গল্প ❤️
    আপনার খারাপ লাগছে? আল্লাহর সাথে গল্প করুন। কাজ করছেন? নাপাক আছেন? কোনো সমস্যা নাই। বাসন ধুতে ধুতে, রান্না করতে করতে বলুনঃ আল্লাহ দেখছো আমার কত কষ্ট হচ্ছে, তুমিতো সব পারো, দাওনা আমার কষ্টটা দূর করে....
    কেউ কষ্ট দিয়েছে? আল্লাহকে বলুনঃ আল্লাহ দেখছো আমি কত কষ্ট পাচ্ছি? আমার মনটা ভালো করে দাওনা...
    মনে মনেই বলুন। সারা দিন গল্প করতে থাকুন। আল্লাহকেই কথা বলার সাথী বানিয়ে নিন, বন্ধু বানিয়ে নিন। তিনি আপনার সব কথা শুনবেন। তিনি কখনো বিরক্ত হবেন না। ❤️

    ৩) সালাত ও দুয়া ❤️
    সালাতে আপনার স্পেশাল দুয়াগুলো করুন। আপনার টাকার সমস্যা, বাজার নাই, কিছু খেতে ইচ্ছে হচ্ছে, বুয়া লাগবে, বাচ্চা জ্বালায় বেশি, জামাইর সাথে ঝগড়া, এটা চাই, ওটা চাইনা ইত্যাদি সব আল্লাহ তা'আলাকেই বলুন। তিনিই সব ঠিক করে দেবেন ইনশাআল্লাহ। বাচ্চা নিয়ে সালাতে সমস্যা? সালাম ফিরিয়ে বাচ্চাকে নিয়ে বাচ্চার হাত নিজ হাতের উপর রেখে মুনাজাত করুন। দেখেন কি সুন্দর জান্নাতি অনুভূতি হয় সুবহানাল্লাহ!!

    ৪) রিযা বিল কাযা ❤️
    যদি দুয়া কবুলে দেরী হয় তবে ভাববেন তিনি আরো কিছুদিন আপনার ডাক শুনতে চান। কারণ আপনার ডাক তিনি সুবহানাহু ওয়া তাআলার বেশি পছন্দ। তাই সর্বাবস্থায় আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের উপর তাওয়াক্কুল রাখবেন। এমনকি আপনি অসুস্থ হলেও খুশি হবেন। সবসময় ভাববেন আল্লাহ আপনাকে ভালো রেখেছেন, আল্লাহ আপনাকে উনার বিশেষ রহমত দিয়ে ঘিরে রেখেছেন, তিনি আপনাকে অনেক ভালোবাসেন। এই ভাবনার মাঝেই সকল সুখের চাবি আছে। সবসময় ভাববেন আপনি অত্যন্ত ভালো আছেন। আপনার চাইতে যারা খারাপ হালাতে আছে, যাদের হাত নাই, পা নাই, যারা দিন মজুর, তাদের কথা ভাববেন।
    কিছু ছোটো কিন্তু ফযিলতপূর্ণ দুয়া নিজেই খুজে নিন।
    বেশি কিছু আর লিখলাম না।
    দুয়া ও ভালোবাসা সকলের প্রতি। ❤️

    #mumtaz_mily
    সংসারে কতইনা ঝামেলা হয়, তাইনা? স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাঁটি, শাশুড়ী ননদদের প্যারা, কাজের প্রেসার, বাচ্চার দুষ্টামি ইত্যাদি... নিজের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। অসহায়ত্ব চেপে বসে, হতাশ লাগে। কান্না পায়, কিছুই ভালো লাগেনা, মনে হয় জীবনটা শেষ হয়ে গেলো বুঝি! আমি এমন কিছু দ্বীনিবোনদের চিনি যারা রিতীমত মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত হয়ে গেছে, আল্লাহুম্মাগফিরলী। তাদের যে কাউন্সেলিং প্রয়োজন তারাই ফীল করতে পারছেনা। যাই হোক, সবক্ষেত্রে কাউন্সেলিং লাগেওনা কিছু ব্যাপার মেনে নিলে। যারা এমন সমস্যাগ্রস্ত তাদের জন্য আমি কিছু পরামর্শ দিচ্ছি নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে। ট্রাস্ট মি, সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। ❤️ ১) সার্বক্ষণিক জিকির ❤️ সবসময়ই জিকিরে রত থাকবেন। ছোটো ছোটো জিকিরঃ সবচাইতে উত্তম হল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ! টয়লেট ছাড়া সব স্থানে জিকির করা যাবে। বাচ্চা ঘুম পাড়াবেন সুরে সুরে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ জিকির করে। বাসন ধুতে, রান্না করতে, ঘর গুছাতে সবসময় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ চলতে থাকবে। এছাড়া হাসবুনাল্লাহ ওয়া নি'মাল ওয়াকীল, দুরুদ, ইস্তেগফার ও জারি রাখবেন। মুখস্ত তিলাওয়াতগুলো করতে চেষ্টা করবেন। অন্তত বাচ্চাকে নিয়ে মোবাইলের এ্যাপ থেকে কুরআন তিলাওয়াতটা করার চেষ্টা করবেন রোজ ৫ মিনিট হলেও। আর রোজ ঘরে তিলাওয়াত অবশ্যই বাজাবেন। বাচ্চাকে বাদ্যবিহীন নাশীদ ও তিলাওয়াত শোনাবেন। ২) আল্লাহর সাথে গল্প ❤️ আপনার খারাপ লাগছে? আল্লাহর সাথে গল্প করুন। কাজ করছেন? নাপাক আছেন? কোনো সমস্যা নাই। বাসন ধুতে ধুতে, রান্না করতে করতে বলুনঃ আল্লাহ দেখছো আমার কত কষ্ট হচ্ছে, তুমিতো সব পারো, দাওনা আমার কষ্টটা দূর করে.... কেউ কষ্ট দিয়েছে? আল্লাহকে বলুনঃ আল্লাহ দেখছো আমি কত কষ্ট পাচ্ছি? আমার মনটা ভালো করে দাওনা... মনে মনেই বলুন। সারা দিন গল্প করতে থাকুন। আল্লাহকেই কথা বলার সাথী বানিয়ে নিন, বন্ধু বানিয়ে নিন। তিনি আপনার সব কথা শুনবেন। তিনি কখনো বিরক্ত হবেন না। ❤️ ৩) সালাত ও দুয়া ❤️ সালাতে আপনার স্পেশাল দুয়াগুলো করুন। আপনার টাকার সমস্যা, বাজার নাই, কিছু খেতে ইচ্ছে হচ্ছে, বুয়া লাগবে, বাচ্চা জ্বালায় বেশি, জামাইর সাথে ঝগড়া, এটা চাই, ওটা চাইনা ইত্যাদি সব আল্লাহ তা'আলাকেই বলুন। তিনিই সব ঠিক করে দেবেন ইনশাআল্লাহ। বাচ্চা নিয়ে সালাতে সমস্যা? সালাম ফিরিয়ে বাচ্চাকে নিয়ে বাচ্চার হাত নিজ হাতের উপর রেখে মুনাজাত করুন। দেখেন কি সুন্দর জান্নাতি অনুভূতি হয় সুবহানাল্লাহ!! ৪) রিযা বিল কাযা ❤️ যদি দুয়া কবুলে দেরী হয় তবে ভাববেন তিনি আরো কিছুদিন আপনার ডাক শুনতে চান। কারণ আপনার ডাক তিনি সুবহানাহু ওয়া তাআলার বেশি পছন্দ। তাই সর্বাবস্থায় আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের উপর তাওয়াক্কুল রাখবেন। এমনকি আপনি অসুস্থ হলেও খুশি হবেন। সবসময় ভাববেন আল্লাহ আপনাকে ভালো রেখেছেন, আল্লাহ আপনাকে উনার বিশেষ রহমত দিয়ে ঘিরে রেখেছেন, তিনি আপনাকে অনেক ভালোবাসেন। এই ভাবনার মাঝেই সকল সুখের চাবি আছে। সবসময় ভাববেন আপনি অত্যন্ত ভালো আছেন। আপনার চাইতে যারা খারাপ হালাতে আছে, যাদের হাত নাই, পা নাই, যারা দিন মজুর, তাদের কথা ভাববেন। কিছু ছোটো কিন্তু ফযিলতপূর্ণ দুয়া নিজেই খুজে নিন। বেশি কিছু আর লিখলাম না। দুয়া ও ভালোবাসা সকলের প্রতি। ❤️ #mumtaz_mily
    5
    0 Comments 1 Shares
  • ★মানুষের জীবনের লক্ষ্য যখন ছোটো হয়ে যায়, সংকুচিত হয়ে যায় - মানুষ তখন জান্নাতকে পাশ কাটিয়ে দুনিয়ার তুচ্ছ সম্পদকে আরোহণের চেষ্টা করে★

    বিস্তারিত:

    খুবই অল্প কথায় দুনিয়ার প্রাচুর্য VS জান্নাতের নিয়ামত সম্পর্কে জানবো । জ্ঞানীদের উপলব্ধির জন্য অল্প কথাই যথেষ্ট ।

    [১]সাহল ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আল্লাহর নিকট মাছির ডানার সমান দুনিয়ার মূল্য বা ওজন থাকত, তাহলে তিনি কোন কাফিরকে তার (দুনিয়ার) এক ঢোক পানিও পান করাতেন না।’ [তিরমিযি ২৩২০, ইবন মাজাহ ৪১১০]

    [২]‘নিশ্চয় মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারী, মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও ধৈর্যশীল নারী, বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী, রোজা পালনকারী পুরুষ ও রোজা পালনকারী নারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাযতকারী পুরুষ ও সুরক্ষাকারী নারী এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও স্মরণকারী নারী, তাদের সবার জন্য আল্লাহর ক্ষমা ও মহা পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।’ (সুরা আহযাব : আয়াত ৩৫)

    এখন লক্ষ্য করুন, এই তামাম দুনিয়াকে অর্থাৎ এই দুনিয়াতে যতো কিছু আছে সবকিছুর মূল্য আল্লাহর কাছে মাছির ডানার সমানও নয় । আর সেই আল্লাহ্ জান্নাত কে বলতেছেন মহা পুরস্কার । শুধু সাধারণ কিছু নয়, এটা মহাপুরস্কার ।

    যার তার দেওয়া জিনিস নয়, আল্লাহ্ প্রদত্ত পুরস্কার । আল্লাহ্ সম্পর্কে যাদের জ্ঞান নেই সে এইটা উপলব্ধি ই করতে পারবে না আমার মনে হয় । কারন, আপনাদের তো এই দুনিয়ার জ্ঞান নিয়ে নিয়ে অভ্যাস হয়ে গেছে । পুরস্কার বলতে দুনিয়াবী জিনিস বুঝেন, আল্লাহর নিয়ামত,রহমত,বরকত বুঝেন না । কারণ নিয়ামত বুঝার ওহীর জ্ঞান রপ্ত করার সময়টা আপনার হয়নি ।

    যাই হোক, আমরা কেউই তামাম দুনিয়া জয় করতে চাইনা এবং সম্ভবও নয় । বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি পৃথিবীর মোট সম্পত্তির কতো পার্সেন্ট এর মালিক? তেমন কিছুই না । এই সামান্য এর জন্য মহা পুরস্কার দূরে ঠেলে দিলেন? আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সাঃ এর বিরোধিতা করলেন? আজাব বেছে নিলেন? আপনার চয়েসের তারিফ করতে হয় ।

    তবে ভাই একটা কথা আছে, যারা দুনিয়াকে পিছনে ঠেলে এর লোভ, লালসা, প্রাচুর্য কে সাইডে রেখে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন কে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে চলছে কখনও মনে করবেন না যে তাদের জীবনে কিছু নেই, তারা জিবনে তেমন কিছু করতে পারে নাই । তাদেরকে দেখে কখনও ভাববেন না, মানুষের জীবনের লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এতো ক্ষুদ্র কিভাবে হতে পারে! একবার ঈমানের বিমানে চড়েই দেখেন এই দুনিয়া কতো ছোটো ।

    আসলে আপনি যেটাকে সাফল্য বলতেছেন, অনেক প্রাচুর্য মনে করতেছেন আপনার এসকল জিনিস ওইসব ব্যক্তির লক্ষ্যের কাছে মাছির ডানার সমান মূল্য ও রাখে না । এটা আমার মুখের কথা না । এখন আপনি আয়াত,হাদীস বিশ্বাস করেন নাকি কাফিরের মতো অবিশ্বাস করেন সেটা ভাই আপনার ব্যাপার । আই ডোন্ট হ্যাভ এনি অবজেকশন .

    ভাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমাদের জন্যে তওবার দুয়ার খোলা । তবে মৃত্যু কখন আমরা কেউ জানি না । আর আপনার তিলে তিলে বাঁকা করা রব বিমুখ অন্তর মৃত্যুর আগে রবের দিকে ঠিকভাবে ফিরতে পারবে তো? তওবা করতে পারবেন তো? আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নই, সবাই পাপী । তবে আল্লাহর কাছে সে ই পছন্দনীয় যে, পাপের পর তওবা করে ফিরে আসে । আমি আপনাদের সবার কাছে দোআ প্রার্থী ।
    আসুন ফিরে চলি রবের দুয়ারে।
    * বেলা ফুরাবার আগে...
    * picture collected
    * Shahriar Rahman Sadik
    ★মানুষের জীবনের লক্ষ্য যখন ছোটো হয়ে যায়, সংকুচিত হয়ে যায় - মানুষ তখন জান্নাতকে পাশ কাটিয়ে দুনিয়ার তুচ্ছ সম্পদকে আরোহণের চেষ্টা করে★ বিস্তারিত: খুবই অল্প কথায় দুনিয়ার প্রাচুর্য VS জান্নাতের নিয়ামত সম্পর্কে জানবো । জ্ঞানীদের উপলব্ধির জন্য অল্প কথাই যথেষ্ট । [১]সাহল ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আল্লাহর নিকট মাছির ডানার সমান দুনিয়ার মূল্য বা ওজন থাকত, তাহলে তিনি কোন কাফিরকে তার (দুনিয়ার) এক ঢোক পানিও পান করাতেন না।’ [তিরমিযি ২৩২০, ইবন মাজাহ ৪১১০] [২]‘নিশ্চয় মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারী, মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও ধৈর্যশীল নারী, বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী, রোজা পালনকারী পুরুষ ও রোজা পালনকারী নারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাযতকারী পুরুষ ও সুরক্ষাকারী নারী এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও স্মরণকারী নারী, তাদের সবার জন্য আল্লাহর ক্ষমা ও মহা পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।’ (সুরা আহযাব : আয়াত ৩৫) এখন লক্ষ্য করুন, এই তামাম দুনিয়াকে অর্থাৎ এই দুনিয়াতে যতো কিছু আছে সবকিছুর মূল্য আল্লাহর কাছে মাছির ডানার সমানও নয় । আর সেই আল্লাহ্ জান্নাত কে বলতেছেন মহা পুরস্কার । শুধু সাধারণ কিছু নয়, এটা মহাপুরস্কার । যার তার দেওয়া জিনিস নয়, আল্লাহ্ প্রদত্ত পুরস্কার । আল্লাহ্ সম্পর্কে যাদের জ্ঞান নেই সে এইটা উপলব্ধি ই করতে পারবে না আমার মনে হয় । কারন, আপনাদের তো এই দুনিয়ার জ্ঞান নিয়ে নিয়ে অভ্যাস হয়ে গেছে । পুরস্কার বলতে দুনিয়াবী জিনিস বুঝেন, আল্লাহর নিয়ামত,রহমত,বরকত বুঝেন না । কারণ নিয়ামত বুঝার ওহীর জ্ঞান রপ্ত করার সময়টা আপনার হয়নি । যাই হোক, আমরা কেউই তামাম দুনিয়া জয় করতে চাইনা এবং সম্ভবও নয় । বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি পৃথিবীর মোট সম্পত্তির কতো পার্সেন্ট এর মালিক? তেমন কিছুই না । এই সামান্য এর জন্য মহা পুরস্কার দূরে ঠেলে দিলেন? আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সাঃ এর বিরোধিতা করলেন? আজাব বেছে নিলেন? আপনার চয়েসের তারিফ করতে হয় । তবে ভাই একটা কথা আছে, যারা দুনিয়াকে পিছনে ঠেলে এর লোভ, লালসা, প্রাচুর্য কে সাইডে রেখে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন কে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে চলছে কখনও মনে করবেন না যে তাদের জীবনে কিছু নেই, তারা জিবনে তেমন কিছু করতে পারে নাই । তাদেরকে দেখে কখনও ভাববেন না, মানুষের জীবনের লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এতো ক্ষুদ্র কিভাবে হতে পারে! একবার ঈমানের বিমানে চড়েই দেখেন এই দুনিয়া কতো ছোটো । আসলে আপনি যেটাকে সাফল্য বলতেছেন, অনেক প্রাচুর্য মনে করতেছেন আপনার এসকল জিনিস ওইসব ব্যক্তির লক্ষ্যের কাছে মাছির ডানার সমান মূল্য ও রাখে না । এটা আমার মুখের কথা না । এখন আপনি আয়াত,হাদীস বিশ্বাস করেন নাকি কাফিরের মতো অবিশ্বাস করেন সেটা ভাই আপনার ব্যাপার । আই ডোন্ট হ্যাভ এনি অবজেকশন . ভাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমাদের জন্যে তওবার দুয়ার খোলা । তবে মৃত্যু কখন আমরা কেউ জানি না । আর আপনার তিলে তিলে বাঁকা করা রব বিমুখ অন্তর মৃত্যুর আগে রবের দিকে ঠিকভাবে ফিরতে পারবে তো? তওবা করতে পারবেন তো? আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নই, সবাই পাপী । তবে আল্লাহর কাছে সে ই পছন্দনীয় যে, পাপের পর তওবা করে ফিরে আসে । আমি আপনাদের সবার কাছে দোআ প্রার্থী । আসুন ফিরে চলি রবের দুয়ারে। * বেলা ফুরাবার আগে... * picture collected * Shahriar Rahman Sadik
    5
    0 Comments 0 Shares
  • অক্সিজেন তৈরির যন্ত্র আবিষ্কার করলো স্কুলছাত্র
    .
    দেশীয় প্রযুক্তিতে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর তৈরি করেছেন পাবনার ঈশ্বরদীর স্কুল ছাত্র তাহের মাহমুদ তারিফ। স্বল্প খরচে নির্মিত এই যন্ত্রটি দিয়ে প্রতি মিনিটে ২৫ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন সম্ভব। করোনা অতিমারির এই সময়ে আক্রান্তদের অক্সিজেন দিয়ে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে এই উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

    করোনা অতিমারির এই সময়ে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়েছে অনেক। আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেনের মাত্রা নেমে গেলে সাথে সাথে অক্সিজেন সরবরাহ করা না গেলে মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ উপলব্ধি থেকেই স্বল্প খরচে অক্সিজেন তৈরির মেশিন উদ্ভাবন করলেন পাবনার সাঁড়া মাড়োয়ারী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র তাহের মাহমুদ তারিফ।

    তারিফ জানান, গতবছর করোনায় আক্রান্ত হয়ে অক্সিজেনের অভাবে নিজের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে অক্সিজেন বানানোর মেশিন তৈরির ইচ্ছা তৈরি হয়। এক বছর চেষ্টার পর উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন মেশিনটি। মাত্র ৬৫ হাজার টাকায় নির্মিত এই মেশিনটি প্রতি মিনিটে ২৫ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন করতে পারবে।

    তারিফের আগ্রহ দেখে এই কাজে সহযোগিতা করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তার এমন সফলতায় গর্বিত পরিবার ও স্থানীয়রা।

    স্কুল ছাত্রের এমন উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে চিকিৎসকরা বললেন, যন্ত্রটি অভিজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে উন্নত করা যেতে পারে।

    বাণিজ্যিকভাবে এই যন্ত্রটি তৈরি করা গেলে আগামীতে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব বলেও জানান এই চিকিৎসক।

    শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা রইল বাংলাদেশের এই ক্ষুদে বিজ্ঞানী এর জন্য
    অক্সিজেন তৈরির যন্ত্র আবিষ্কার করলো স্কুলছাত্র . দেশীয় প্রযুক্তিতে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর তৈরি করেছেন পাবনার ঈশ্বরদীর স্কুল ছাত্র তাহের মাহমুদ তারিফ। স্বল্প খরচে নির্মিত এই যন্ত্রটি দিয়ে প্রতি মিনিটে ২৫ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন সম্ভব। করোনা অতিমারির এই সময়ে আক্রান্তদের অক্সিজেন দিয়ে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে এই উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। করোনা অতিমারির এই সময়ে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়েছে অনেক। আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেনের মাত্রা নেমে গেলে সাথে সাথে অক্সিজেন সরবরাহ করা না গেলে মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ উপলব্ধি থেকেই স্বল্প খরচে অক্সিজেন তৈরির মেশিন উদ্ভাবন করলেন পাবনার সাঁড়া মাড়োয়ারী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র তাহের মাহমুদ তারিফ। তারিফ জানান, গতবছর করোনায় আক্রান্ত হয়ে অক্সিজেনের অভাবে নিজের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে অক্সিজেন বানানোর মেশিন তৈরির ইচ্ছা তৈরি হয়। এক বছর চেষ্টার পর উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন মেশিনটি। মাত্র ৬৫ হাজার টাকায় নির্মিত এই মেশিনটি প্রতি মিনিটে ২৫ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন করতে পারবে। তারিফের আগ্রহ দেখে এই কাজে সহযোগিতা করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তার এমন সফলতায় গর্বিত পরিবার ও স্থানীয়রা। স্কুল ছাত্রের এমন উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে চিকিৎসকরা বললেন, যন্ত্রটি অভিজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে উন্নত করা যেতে পারে। বাণিজ্যিকভাবে এই যন্ত্রটি তৈরি করা গেলে আগামীতে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব বলেও জানান এই চিকিৎসক। শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা রইল বাংলাদেশের এই ক্ষুদে বিজ্ঞানী এর জন্য
    7
    0 Comments 0 Shares
More Stories